
Blood Doneat Policy
প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা (পিউইএস)
হালিমা বোর্ডিং, ১৫ স্টেশন রোড, ঝালোকাঠী।
রক্তদান নীতিমালা
ভূমিকাঃ
পিউইএস’র কর্মএলাকায় বসবাসরত জনগণ বা পিউইএস স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্পের আওতাভুক্ত রোগী কে জরুরী রক্তদান করার লক্ষ্যে সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় হচ্ছে পিউইএস রক্তদান নীতিমালা।
রক্তের উৎস ও ব্যাবহারঃ
বিভিন্ন জেলা, উপজেলা বা ইউনিয়নের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বৃন্দু রক্তদানে সক্ষম সুস্থ ব্যাক্তিকে কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে স্ব-ইচ্ছায় আগ্রহ প্রশন করলে, যদি তার রক্তের গ্রুপ জানা না থাকে বা সঠিক ভাবে বলতে না পারলে তার রক্তের গ্রুপ কি, সেক্ষেত্রে তার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া রক্তের গ্রুপের নাম। এবং পিউইএস রক্তদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত সদস্য করে রক্ত দাতা হিসাবে তথ্য সংগ্রহ রাখা। জরুরী রক্তের প্রয়োজনে চিকিৎসক এর ব্যাবস্থা পএ অনুযায়ী রোগী এবং রক্ত দাতার এর মধ্যে যোগাযোগ করে দিবে। ডাক্তার রুগীর রক্ত ও রক্তদাতার রক্ত ক্রসমেসিং করে নিশ্চিত হয়ে রক্ত দাতা রক্ত প্রদান করবে।
পিউইএস’র স্বাস্থ্য প্রকল্পে রক্তদাতা বা ডোনার এর সম্পূর্ণ তথ্য রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ থাকবে। রক্ত দাতার নাম, ঠিকানা, পেশা, বয়স, মোবাইল নম্বর, রক্তের গ্রুপ, পূর্বে রক্তদান করলে পূর্ববর্তী রক্তদানের তথ্য ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। একজন রক্তদান ব্যক্তি কতদিন পরপর আবার রক্ত দান করতে পারবেন ও বছরে কতবার রক্তদান করতে পারবেন সেই বিষয়ে জানানো। ৪ মাস (১২০ দিন) পরপর বছরে ৩ বার রক্তদান করতে পারবে। কিন্তু এর কম সময়ে বা পর পর ২ বার রক্তদান করা স্বাস্থের জন্য ক্ষতি। একজন রক্তদান কারী ব্যক্তি কতো পরিমাণ রক্তদিতে পারবে তা যানা ও তার বেশী জেন কোন ভাবেই রক্ত প্রদান না করে সে বিষয়ে জানানো। রক্তদাতাকে সম্পূর্ন বিনামূল্যে রক্ত দান করতে হবে। রক্ত গ্রহনের সার্বিক ব্যাবস্থাপনা রোগীর পক্ষ করবে। রোগী গরীব, অসহায় হইলে পিউইএস আর্থিক খরচের দ্বায়িত্ব নিবে।
রক্ত সংগ্রহের প্রক্রিয়াঃ
১। রক্তদাতা কে কাউন্সিলিং করা। (রক্ত দিলে উপকারিতা ও সুবিধা গুলো কি কি এবং কেন রক্ত দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া রক্ত দিলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা তা আলোচনা করা)
২। অঙ্গিকার নামা (স্ব-ইচ্ছায় রক্ত দান করিতে ইচ্ছুক)।
৩। রক্তদাতাকে শারীরিক পরিক্ষা নিরিক্ষা করা যেমনঃ- ওজন, পেশার, নাড়ির গতি, রক্তদাতা নেশাগ্রস্ত কি না, রক্তদাতা জটিল কোন রোগে আক্রান্ত কি না, রক্তদাতার এ্যালার্জির সমস্যা আছে কি না।
৪। প্রতিজন রক্ত দাতার জন্য আলাদা আলাদা নতুন(ইনটেক) ব্লাডসেট থাকবে। রক্তদাতা রক্ত দেওয়ার পূর্বে রক্ত গ্রহিতার রক্তের সাথে ক্রস ম্যাসিং করবে।
৫। রক্ত দাতার যদি পূর্বের ব্লাড গ্রুপ কার্ড থাকে,সঠিক ব্লাড গ্রুপ কি না তা নিশ্চিত হওয়া, আর যদি ব্লাড গ্রুপ কার্ড না থাকে তাহলে নতুন করে সংস্থা থেকে ব্লাড গ্রুপিং করে কার্ড তৈরী করে নেওয়া। এবং তার তথ্য সংরক্ষণ করা।
৬। রক্তদাতার ডাটাবেজ তৈরি করা এবং সংরক্ষণ করা। একজন রক্ত দাতা রক্ত দেওয়ার কতদিন পর আবার রক্ত দিতে পারবেন তার তারিখ সংরক্ষণ রাখা। সংস্থার’র ব্লাড গ্রপিং কার্ডে রক্ত প্রদানের তারিখ ও পরবর্তী মেয়াদের তারিখ লিখে প্রদান করা।